মক্কাকে রাজনৈতিক ও সামরিক লক্ষ্য অর্জনে ব্যবহার করে সৌদি আরব ইয়েমেনের ওপর নিপীড়ন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন হুতিদের নেতা আবদুল মালিক আল-হুতি। বৃহস্পতিবার এক ঘণ্টার ভাষণে তিনি সৌদি আরবের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন।
তার বক্তব্য আল জাজিরার প্রতিবেদনে উদ্ধৃত করা হয়েছে।
আল-হুতি বলেন, সৌদি আরব মক্কাকে ‘নিপীড়নের প্রতীক’ হিসেবে ব্যবহার করছে। তিনি একে মিথ্যা ও প্রতারণামূলক প্রচেষ্টা বলে উল্লেখ করেন।
সম্প্রতি সৌদি আরব অভিযোগ করেছে, আনসার আল্লাহ গোষ্ঠী মক্কাকে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা করেছে। তবে আল-হুতি এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে মুসলিম বিশ্বের প্রতি সৌদি আরবের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে ইয়েমেনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
হুতি নেতা বলেন, ইয়েমেনে সৌদি আরবের আগ্রাসনের এটি ১২তম বছর। তাঁর দাবি, বর্তমান সংঘাতের এই পর্যায় সৌদি আরবই শুরু করেছে। মক্কা ও অন্যান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৌদি সামরিক অভিযান চালানোর পর ইয়েমেনে পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত হয় বলেও দাবি করেন তিনি।
সৌদি সামরিক অভিযান এবং পরবর্ত সময়ে মোচা দখল ও আনসার আল্লাহর অগ্রযাত্রার মধ্য দিয়ে সংঘাত নতুন মাত্রা পায়। এর ধারাবাহিকতায় আনসার আল্লাহ দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে মোচা, ধাবাব ও বাব আল-মান্দাবের নিয়ন্ত্রণ নেয় বলে দাবি করেন তিনি।
আত্মরক্ষামূলক অবস্থানে যেতে বাধ্য করেছে। তাঁর দাবি, বর্তমানে ইয়েমেনে হুতিদের সামরিক তৎপরতা এমন একটি দেশের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ, যারা ইয়েমেনকে অধীন ও নিপীড়িত অবস্থায় রাখতে চায়।
আল-হুতি আরও অভিযোগ করেন, সৌদি আরবের সামরিক কর্মকাণ্ডের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ‘জায়নবাদীরা’ নেতৃত্ব দিচ্ছে। তাঁর দাবি, তারাই সৌদি আরবের ওপর রাজনৈতিক নীতি চাপিয়ে দিচ্ছে এবং সামরিকভাবে পদক্ষেপ নিতে প্রভাবিত করছে।
সূত্র: আল জাজিরা

