২৩ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ০৫:১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
রাকসুর জিএস সাবেক সমন্বয়ক সালাহউদ্দিন আম্মার
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৭-১০-২০২৫
রাকসুর জিএস সাবেক সমন্বয়ক সালাহউদ্দিন আম্মার

দীর্ঘ ৩৪ বছর পর অনুষ্ঠিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ছিলেন। অন্যদিকে সহসভাপতি (ভিপি) পদে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী মোস্তাকুর রহমান জাহিদ।


শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শেষে সব কেন্দ্রের ভোট গণনা করে বেসরকারিভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়।


ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, জিএস পদে সালাহউদ্দিন আম্মার পেয়েছেন ১১ হাজার ৫৩৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, শিবির সমর্থিত ফজলে রাব্বি ফাহিম রেজা পেয়েছেন ৫ হাজার ৭২৯ ভোট। ব্যবধান ৫ হাজার ৮০৮ ভোট


অন্যদিকে ভিপি পদে মোস্তাকুর রহমান জাহিদ পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৮৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত শেখ নূর উদ্দীন আবির পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৯৭ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান দাঁড়ায় ৯ হাজার ২৯০।


সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে শিবির সমর্থিত প্রার্থী সালমান সাব্বির ৬ হাজার ৯৭১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত জাহিন বিশ্বাস এষা পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৪১ ভোট।


ফলাফল ঘোষণার পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায়। দীর্ঘ বিরতির পর রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা একে গণতান্ত্রিক চর্চার নতুন সূচনা হিসেবে দেখছেন।


এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯টি ভবনের ১৭টি কেন্দ্রে ১৭টি হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দেন। দিনভর পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যেও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।


নির্বাচনে ১০টি প্যানেলসহ রাকসুর ২৩ পদে ২৪৭ জন, হল সংসদের ১৫ পদে ১৭টি হলে ৫৯৭ জন এবং সিনেটের ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের ৫ পদে ৫৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। রাকসুতে ভিপি পদে ১৮ জন, জিএস পদে ১৩ জন ও এজিএস পদে ১৬ জন প্রার্থী ছিলেন।


মোট ভোটার ছিলেন ২৮ হাজার ৯০১ জন—এর মধ্যে ছাত্রী ভোটার ১১ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্র ভোটার ১৭ হাজার ৫৯৬ জন। ভোটের হার দাঁড়িয়েছে ৬৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ, আর ছয়টি নারী হলে ভোট পড়েছে ৬৩ দশমিক ২৪ শতাংশ।


শেয়ার করুন