১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ১০:৪২:১১ অপরাহ্ন
বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের লাইসেন্স নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
  • আপডেট করা হয়েছে : ১০-০৮-২০২৬
বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের লাইসেন্স নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ডেন্টাল ক্লিনিক ও মেডিকেল চেকআপ সেন্টারের লাইসেন্সের মেয়াদ এক বছর থেকে বাড়িয়ে দুই বছর করেছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে নতুন এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা থেকে এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. নূরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদনক্রমে জারিকৃত চিঠিতে লাইসেন্স সংক্রান্ত নতুন নিয়মাবলী তুলে ধরা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুই বছরের লাইসেন্স ফি ও ভ্যাট একসঙ্গে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে।


নতুন লাইসেন্স প্রাপ্তির ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের অবস্থানগত ছাড়পত্র বা পরিবেশগত ছাড়পত্র অনলাইনে সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি, যেসব প্রতিষ্ঠান নারকোটিকস বা মাদকদ্রব্য ব্যবহার করে থাকে, তাদেরকেও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নারকোটিকস লাইসেন্স নিতে হবে। এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তর এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের লাইসেন্সগুলোও দুই বছরের জন্য কার্যকর রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


স্বাস্থ্যসেবা খাতের মান উন্নত ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত পরিদর্শনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শনে কোনো ধরনের অনিয়ম কিংবা শর্তের ব্যত্যয় প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স তাৎক্ষণিকভাবে স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে।


শেয়ার করুন