৩০ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০২:৫০:৩১ পূর্বাহ্ন
জামিন পেলেন অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরুল
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৯-০৭-২০২৬
জামিন পেলেন অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরুল

আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেত্রী স্বর্ণালী জোয়ার্দার রিয়া দায়ের করা একটি মামলায় জামিন পেয়েছেন ওএসডি অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। গতকাল মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ঢাকার ১ নম্বর নারী ও শিশু দমন আইন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুনতাসির আহমেদ আদেশটি দেন।


এর আগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১।


গেল সোমবার (২৭ জুলাই) ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুনতাসির আহমেদ তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।


মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মাগুরার সরকারি বাংলোতে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি স্বর্ণালী জোয়ার্দার রিয়াকে নাকফুল পরিয়ে সম্পর্কের আনুষ্ঠানিকতা দেন জহিরুল। পরবর্তীতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নারীর স্বামী পরিচয় দিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছিলেন তিনি।


বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মাগুরার সরকারি বাংলো, অফিসের বিশ্রামকক্ষ এবং ঢাকার বাসায় একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করার পর পুলিশ সদর দপ্তরে বদলি হয়েও তিনি এই যোগাযোগ বজায় রাখেন।


ভুক্তভোগীর দাবি, ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই বিয়ের জন্য চাপ দিলে জহিরুল ইসলাম তা অস্বীকৃতি জানান এবং আইনি পদক্ষেপ নিলে বড় ধরনের ক্ষতির হুমকি দেন। এই ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৫ জুলাই রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পাশাপাশি পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছে লিখিত অভিযোগ দেন ওই নারী।


পরবর্তীকালে আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে সমঝোতার চেষ্টা ব্যর্থ হলে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ ঢাকার জজ আদালত প্রাঙ্গণে পুনরায় বিয়ের বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে জহিরুল আবার অস্বীকৃতি ও হুমকি দেন। বাধ্য হয়ে গত ২০ মে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী।


আদালতের নির্দেশে বিচার বিভাগীয় তদন্ত শেষে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হক গত ১৪ জুলাই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন, যেখানে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।


শেয়ার করুন