২৪ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ০২:৩০:৫৮ পূর্বাহ্ন
দ্বিতীয় দিনেই ইনিংস ব্যবধানে টেস্ট হারল বাংলাদেশ
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৩-০৮-২০২৬
দ্বিতীয় দিনেই ইনিংস ব্যবধানে টেস্ট হারল বাংলাদেশ

ম্যাকাই টেস্টে দুই দিনেই ইনিংস ও ৫১ রানে হারল বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ৬৪ রানে অলআউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও তারা অলআউট হয়েছে ৯৫ রানে। এই প্রথম টেস্টে দুই ইনিংসেই একশ রান করতে পারলো না বাংলাদেশ।


টস জিতে অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিং বেছে নেওয়ার পর থেকে একবারও স্বাগতিকদের চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেনি টাইগাররা। দুই ইনিংসেই হতাশার ব্যাটিংয়ের পর একমাত্র স্বস্তি শরীফুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৭ উইকেট পাওয়া।


এর আগে দিনের প্রথম সেশনে ৮ উইকেটে ১৬৫ রানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করা অস্ট্রেলিয়াকে ২১০ রানে থামায় বাংলাদেশ। এদিকে টেস্টে বাংলাদেশি পেসার হিসেবে সেরা বোলিং করেছেন শরীফুল ইসলাম এটি তার নিজেরও ক্যারিয়ার সেরা বোলিং।


এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ শুরুতে প্রথম ২ ওভারে ৫ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। তৃতীয় ওভারে স্টার্ক সাদমান ইসলামকে পয়েন্টে মার্নাস লাবুশেনের ক্যাচ বানান। পরের বলে মুমিনুল হকের অফস্টাম্প ভেঙে দেন স্টার্ক। ৫ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা।


পরে সাবধানে খেলছিলেন তানজিদ হাসান ও নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু অষ্টম ওভারের শেষ বলে অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের বলে স্টার্কের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ওপেনার তানজিদ হাসান। এরপর ৩৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে মধ্যাহ্নভোজে যায় তারা।


মধ্যাহ্নভোজ থেকে ফিরে আরো ধস নেমেছে বাংলাদেশের ইনিংসে। ডাউন দ্য উইকেটে এসে খেলতে যেয়ে আউট হন শান্ত। এরপর একে একে লিটন ও মিরাজ আউট হলে ইনিংস ব্যাবধানে হারা যেন আরও অবধারিত হয়ে গেছে। এরপর হাসান ও তাইজুলের বোল্ড আউটের পর তাসকিনকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংসকে বড় করার চেষ্টা করেছিলেন মুশফিকুর রহিম।


ইনিংস হারের শঙ্কা নিয়ে চা বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। হাতে ছিল ২ উইকেট, ইনিংস হার এড়াতে দরকার ছিল ৫১ রান। বাংলাদেশের হয়ে একাই লড়ছিলেন মুশফিক। তবে সঙ্গী তাসকিন বিরতি থেকে ফিরে প্রথম বলেই আউট হয়ে যান। স্লিপে ক্যাচ দেন তিনি। এরপর শরীফুল ইসলাম ব্যাটে নেমে দ্বিতীয় বলেই নাথান লায়নের বলে আউট হলে ৯৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।


শেষটা হতাশার হলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে ভালোভাবেই লেখা থাকবে এই সিরিজটা। ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলতে নেমে ডারউইন টেস্টের জয়টা ক্রিকেটারদের স্মৃতিতেও সবসময় থেকে যাবে। দুই টেস্টের এই সিরিজ শেষ হলো ১–১ সমতায়।


শেয়ার করুন