১১ মে ২০২৬, সোমবার, ১২:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন
গভীর রাতে মিয়ানমারে ভূমিকম্প, বাংলাদেশেও কম্পন অনুভূত
  • আপডেট করা হয়েছে : ১১-০৫-২০২৬
গভীর রাতে মিয়ানমারে ভূমিকম্প, বাংলাদেশেও কম্পন অনুভূত

গভীর রাতে মিয়ানমারে একটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.০। মিয়ানমারে সৃষ্ট এই ভূমিকম্পের প্রভাবে বাংলাদেশের বন্দরনগরী চট্টগ্রাম ও পর্যটন শহর কক্সবাজারেও মৃদু থেকে মাঝারি কম্পন অনুভূত হয়। বাংলাদেশে, বিশেষ করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায়ও কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানা গেছে।



জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস জানিয়েছে, রোববার (১০ মে) গভীর রাতে (বাংলাদেশ সময় ১টা ৩৬ মিনিটে) এ ভূমিকম্প আঘাত হানে।



সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানায়, ১০ কিলোমিটার গভীরে অবস্থিত ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলটি প্রাথমিকভাবে ২০.৪৬ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৩.৯৪ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত বলে নির্ণয় করা হয়েছে। মিয়ানমারে ভূমিকম্প নিয়ে সিনহুয়ার প্রতিবেদন।


মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস বলছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সিদোকতায়া থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আর বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।


এর আগে, শনিবার (৯ মে) বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এদিন বিকেল ৩টা ১০ মিনিটের দিকে অনুভূত এই কম্পনে কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে আকস্মিক এই কম্পনে জনমনে সাময়িক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্যমতে, ভূমিকম্পের মাত্রা ও উৎপত্তিস্থল নিয়ে সামান্য ভিন্নতা থাকলেও উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলা এটি বেশ ভালোভাবেই টের পেয়েছে।


ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে কম্পনটির মাত্রা ছিল ৪.৫। অন্যদিকে, ইউএসজিএস এই মাত্রা ৪.৪ বলে উল্লেখ করেছে। বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময়) এই ভূ-কম্পন অনুভূত হয়।



ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল ভারতের আসামের বিলাসিপাড়া। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল তুলনামূলক কম, যার ফলে সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলোতে কম্পন তীব্রভাবে অনুভূত হয়েছে।


শনিবারের ওই ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব ছিল কয়েক সেকেন্ড, যা মূলত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে স্থানীয়রা মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের ঝাঁকুনি টের পাওয়ার কথা জানান।


শেয়ার করুন