১৬ এপ্রিল ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১১:৪০:৩৮ অপরাহ্ন
পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ‘অসাধারণ’, পরবর্তী আলোচনাও পাকিস্তানেই: হোয়াইট হাউস
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৬-০৪-২০২৬
পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ‘অসাধারণ’, পরবর্তী আলোচনাও পাকিস্তানেই: হোয়াইট হাউস

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছে, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় রয়েছে পাকিস্তান। হোয়াইট হাউস দক্ষিণ এশিয়ার এই পরমাণু শক্তিধর দেশটির বেশ প্রশংসা করে জানিয়েছে, পুরো প্রক্রিয়ায় পাকিস্তান ‘অসাধারণ’ ভূমিকা পালন করছে। পাশাপাশি, পরবর্তী দফার আলোচনা পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে হোয়াইট হাউস।


সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ জানিয়েছে, পাকিস্তানে ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা শান্তি আলোচনা আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়ে কথাবার্তা চলছে এবং ওয়াশিংটন এ বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর ব্যাপারে আশাবাদী। তবে যদিও তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র তাদের বন্দর অবরোধ তুলে না নিলে তারা লোহিত সাগরের বাণিজ্য বন্ধ করে দিতে পারে।


এর আগে বুধবার একটি পাকিস্তানি প্রতিনিধি দল তেহরানে পৌঁছায়। তারা ওয়াশিংটনের নতুন বার্তা নিয়ে সেখানে গেছেন। এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে গত সপ্তাহান্তের ব্যর্থ আলোচনার পর ইসলামাবাদে আবারও আলোচনা শুরু হতে পারে।


মূলত ইরানের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে হোয়াইট হাউস এমন সময়ে আশার কথা জানাল যখন পাকিস্তানের প্রধান আলোচক ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির ইরান সফর করছেন। একই দিনে ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানায়, বৃহস্পতিবার তেহরানে ইরান ও পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আদান-প্রদান হওয়া বার্তাগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবে।


এমন অবস্থায় বুধবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট সাংবাদিকদের বলেন, পরবর্তী আলোচনা ‘খুব সম্ভবত’ পাকিস্তানের রাজধানীতেই হবে। তিনি বলেন, ‘আলোচনা চলছে এবং আমরা একটি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী।’


তিনি আরও বলেন, ‘একটি বিষয় উল্লেখ করা জরুরি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে এটি গুরুত্বপূর্ণ এবং এই পুরো প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানিরা অসাধারণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে। আমরা তাদের বন্ধুত্ব ও এই চুক্তি সম্পন্ন করতে তাদের প্রচেষ্টার জন্য কৃতজ্ঞ।’


যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ইরানকে ছয় সপ্তাহের যুদ্ধ শেষ করতে এবং দীর্ঘদিনের পারমাণবিক বিরোধ সমাধানে একটি ‘বড় চুক্তি’ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইরানের সঙ্গে প্রথম দফার আলোচনায় তিনিই মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।


এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের লক্ষ্য ‘একই’। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই ইরান থেকে সমৃদ্ধ পারমাণবিক উপাদান সরিয়ে নেয়া হোক, তাদের সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা বন্ধ করা হোক এবং অবশ্যই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়া হোক’।


শেয়ার করুন