চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হারে ছাত্রীদের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছেন ছাত্ররা। তবে সর্বোচ্চ ফল জিপিএ-৫ অর্জনে ছাত্রদের সংখ্যা বেশি। এবার মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন।
ফলাফলে দেখা যায়, ছাত্রীদের মধ্যে পাস করেছেন ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন। তাদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ। অন্যদিকে ছাত্রদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন, পাসের হার ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
তবে জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন ছাত্ররা। এবার মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৩৬৩ জন এবং ছাত্রী ১৯ হাজার ৭২১ জন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষার ফলাফলের এসব তথ্য জানানো হয়। ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়াসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সামগ্রিক ফলাফলে এবার পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। একইভাবে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত বছর ৬৯ হাজার ৯৭ জন জিপিএ-৫ পেলেও এবার পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। সে হিসাবে সর্বোচ্চ ফল অর্জনকারীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন।
এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২ জুলাই। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৮ আগস্ট। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।

