০২ এপ্রিল ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০১:৪৫:৫২ অপরাহ্ন
৫০ বছর পর আবারও চাঁদের অভিমুখে নভোচারীরা
  • আপডেট করা হয়েছে : ০২-০৪-২০২৬
৫০ বছর পর আবারও চাঁদের অভিমুখে নভোচারীরা

দীর্ঘ পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পর আবারও পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথ ছাড়িয়ে গভীর মহাকাশে মানুষের পদযাত্রার নতুন এক অধ্যায় সূচিত হয়েছে। 


বুধবার (১ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেপ ক্যানাভেরাল থেকে চারজন নভোচারীকে নিয়ে সফলভাবে উড্ডয়ন করেছে নাসার ঐতিহাসিক ‘আর্টেমিস ২’ চন্দ্রাভিযান। 


৩২ তলা বিশিষ্ট বিশাল এই রকেটটি কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে যখন মহাকাশের পানে যাত্রা শুরু করে, তখন কয়েক হাজার মানুষ এই বিরল মুহূর্তের সাক্ষী হতে সেখানে সমবেত হন। এই মিশনটি মূলত চাঁদে স্থায়ীভাবে মানুষের বসতি স্থাপন এবং পরবর্তীতে মঙ্গল গ্রহে মহাকাশচারী পাঠানোর দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


আর্টেমিস ২ মিশনের চার সদস্যের মধ্যে রয়েছেন নাসার নভোচারী রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কচ এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির জেরেমি হ্যানসেন। প্রায় ১০ দিনের এই সফরে তারা চাঁদকে প্রদক্ষিণ করে আবারও পৃথিবীতে ফিরে আসবেন। উড্ডয়নের মাত্র পাঁচ মিনিটের মাথায় মিশনের কমান্ডার ওয়াইজম্যান ক্যাপসুল থেকে আপ্লুত কণ্ঠে জানান, তারা একটি অপূর্ব চন্দ্রোদয় দেখতে পাচ্ছেন এবং সরাসরি চাঁদের অভিমুখেই এগিয়ে যাচ্ছেন। 


উৎক্ষেপণের আগে হাইড্রোজেনের বিপজ্জনক লিকেজ নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ থাকলেও নাসা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ৭ লক্ষ গ্যালন জ্বালানি লোড করে কোনো বড় ধরনের ত্রুটি ছাড়াই মিশনটি শুরু করতে সক্ষম হয়েছে। ল্যাঞ্চ ডিরেক্টর চার্লি ব্ল্যাকওয়েল-থম্পসন নভোচারীদের শুভকামনা জানিয়ে বলেন, এই মিশনে পুরো আর্টেমিস টিমের সাহস এবং নতুন প্রজন্মের স্বপ্ন জড়িয়ে আছে।


শেয়ার করুন