০১ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ১২:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন
মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক, পেলেন পাশে থাকার আশ্বাস
  • আপডেট করা হয়েছে : ০১-০৪-২০২৬
মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক, পেলেন পাশে থাকার আশ্বাস

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে অস্থিরতার ফলে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের কার্যকর সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।


এ নিয়ে ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তরে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইটের সঙ্গে আলোচনায় বসেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।


বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বৈঠকের বিস্তারিত জানানো হয়।


বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে সরবরাহ শৃঙ্খলে অস্থিরতার কারণে বাংলাদেশ বর্তমানে জ্বালানি খাতে নানামুখী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটানো এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি ও কৌশলগত সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।



তিনি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মার্কিন জ্বালানি দপ্তরকে বিশেষ ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান।


বাংলাদেশের উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত। এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশের পাশে থাকতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


তিনি আরও জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উত্থাপিত বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


বৈঠকে শুধু বর্তমান সংকট নিরসনই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সহযোগিতার বিষয়েও দুই পক্ষ একমত পোষণ করেন।


বিশেষ করে- বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নিরাপদ ও স্থিতিশীল জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি পণ্য আমদানির সম্ভাবনা ও সুযোগ বাড়ানো, জ্বালানি খাতের আধুনিকায়নে প্রযুক্তিগত বিনিময়।


এ সময় উভয় দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনায় অংশ নেন।


শেয়ার করুন