ইরানের পরবর্তী নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে চান বলে আবারও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার ভাষ্যমতে, তিনি প্রতি ১০ বছর অন্তর এই একই সমস্যার মুখোমুখি হতে চান না।
চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানো হতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, এটি ‘সম্ভাবনা আছে, তবে এর জন্য খুব ভালো বা যথাযথ কারণ’ থাকতে হবে।
স্থানীয় সময় শনিবার (৭ মার্চ) এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এখন এটা নিয়ে কথা বলতে চাই না। আমি মনে করি না এটি এখন উপযুক্ত প্রশ্ন; আপনারা জানেন আমি এর উত্তর দেব না। তবে এমনটা কি হতে পারে? সম্ভবত, তবে তার জন্য খুব জোরালো কারণ থাকতে হবে। আমি বলব, আমরা যদি কখনো তেমন কিছু করি, তবে তারা (ইরান) এমনভাবে ধ্বংস হবে যে তারা আর স্থলস্তরে লড়াই করার সক্ষমতা রাখবে না।’
ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলো থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জব্দ করতে স্থলবাহিনী ব্যবহারের কথা বিবেচনা করবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবেও ট্রাম্প একে একটি সম্ভাবনা হিসেবে উল্লেখ করেন, তবে এখনই নয়।
তিনি বলেন, ‘আমরা সেটা পরে দেখব। এটা নিয়ে এখনও আমাদের কথা হয়নি। এটি ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ ধ্বংসযজ্ঞ। তারা এখনও সেখানে পৌঁছাতে পারেনি। হয়তো কোনো এক সময় আমরা যাব। সেটা দারুণ একটা ব্যাপার হবে, কিন্তু আপাতত আমরা শুধু তাদের ধ্বংস করছি, এখনও সেটার পেছনে (ইউরেনিয়াম জব্দ করতে) লাগিনি।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘তবে এটি এমন কিছু যা আমরা পরবর্তীতে করতে পারি। আমরা এখনই এটি করব না।’
উল্লেখ্য, ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সেটিই ছিল এই যুদ্ধের পক্ষে ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম প্রধান যুক্তি।

