২১ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ০২:১৮:৫০ অপরাহ্ন
বাজারে চরম নৈরাজ্যের পর এলপিজি নিয়ে সুখবর
  • আপডেট করা হয়েছে : ২১-০১-২০২৬
বাজারে চরম নৈরাজ্যের পর এলপিজি নিয়ে সুখবর

বাজারে চরম নৈরাজ্যের পর অবশেষে বাড়ছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি। চলতি মাসে ১২টি প্রতিষ্ঠান ১ লাখ ৬৭ হাজার ও আগামী মাসে ১ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন এলপি গ্যাস আমদানির লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে


সব মিলিয়ে দুই মাসে দেশে আসবে সাড়ে তিন লাখ মেট্রিক টন এলপিজি। আর এতে রমজানের আগেই বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরার আশা সংশ্লিষ্টদের।


দেশে ১২ কেজি সিলিন্ডার গ্যাসের নির্ধারিত দাম ১৩০৬ টাকা, অথচ বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায়, তারপরও দোকানে দোকানে সাঁটানো এলপি গ্যাস না থাকার নোটিশ। গত মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে নজিরবিহীন এমন নৈরাজ্য চলছে বাজারে। ফলে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন রান্নাবান্না থেকে যানবাহন-সব খাতের ভোক্তারা। সংকট চরম আকার ধারণ করলে এলপিজি আমদানিতে ঋণ সুবিধা বাড়ানো, ভ্যাট-ট্যাক্স কমানো, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিপিসিকে আমদানির অনুমতিসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়। এলপি গ্যাস আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠকও করেন জ্বালানি উপদেষ্টা। নীতিগত কিছু সিদ্ধান্তের ফলে স্থবিরতা কাটিয়ে আবারো বাড়ছে এলপিজি আমদানির হার। আমদানিকারকদের আশ্বাস, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে চলতি মাসে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি করতে পারবে ১২টি প্রতিষ্ঠান। আর আগামী মাসে আমদানির লক্ষ্য ১ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন। যা সর্বোচ্চ চাহিদার তুলনায় ৩৪ হাজার মেট্রিক টন বেশি। এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সহ-সভাপতি হুমায়ুন রশীদ বলেন, লোয়াবের সব মেম্বার কাজ করছে এবং কিছু জাহাজ এরমধ্যেই প্রক্রিয়াধীন। বাংলাদেশের প্রাইভেট সেক্টর খুব সক্রিয়; তারা বাজারে এলপিজির স্বল্পতা চাইছে না এবং শিগগিরই এলপিজি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন ও নিশ্চিতভাবে চলবে। জ্বালানি উপদেষ্টার আশা, আমদানি বাড়ায় স্থিতিশীলতা ফিরবে বাজারে, রোজার আগেই কাটবে সংকট। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান মুঠোফোনে সময় সংবাদকে বলেন, আমদানিকারকরা কমিটমেন্ট দিয়েছে যে এলপিজি আনবে এবং তারা বলছে রোজার আগে সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। আমরা আশা করছি ধীরে ধীরে সব স্বাভাবিক হয়ে আসবে। বর্তমানে এলপি গ্যাসের মাসিক চাহিদা ধরা হয় ১ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন থেকে দেড় লাখ মেট্রিক টন।


শেয়ার করুন