০২ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ০৫:০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নবম বেতন স্কেল: যে গ্রেডে নতুন ‘জটিলতা’
  • আপডেট করা হয়েছে : ০১-১০-২০২৬
নবম বেতন স্কেল: যে গ্রেডে নতুন ‘জটিলতা’

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পে-ফিক্সেশন বা নতুন বেতন নির্ধারণ কার্যক্রম ৫ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে। চলবে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ‘আইবাস প্লাস প্লাস’ পোর্টালে প্রবেশ করে চাকরিজীবীদের প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই ও পে-ফিক্সেশন সম্পন্ন করতে হবে। এরপর নতুন স্কেলে বেতন ও বকেয়া অর্থ পরিশোধের হিসাব চূড়ান্ত করবে সরকার। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।


অর্থ বিভাগ সূত্র জানায়, নতুন পে-স্কেলের বাড়তি বেতন হাতে পাওয়ার আগে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ সঠিকভাবে পে-ফিক্সেশন সম্পন্ন করা। কোনো তথ্য ভুল, অসম্পূর্ণ বা পুরোনো রেকর্ডের সঙ্গে অসংগত হলে প্রক্রিয়াটি আটকে যেতে পারে। এ কারণে ইতোমধ্যে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের অনলাইন প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। বিভাগওয়ারিভাবে ৫ থেকে ২০ অক্টোবর পে-ফিক্সেশন সম্পন্ন করার প্রস্তুতি চলছে। শিগ্গিরই সরকারি চাকরিজীবীদের উদ্দেশে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা দেবে অর্থ বিভাগ।


উচ্চতর গ্রেডে নতুন ‘জটিলতা’ 


নতুন আদেশ অনুযায়ী, কোনো স্থায়ী কর্মচারী পদোন্নতি ছাড়া একই পদে আট বছর পূর্ণ করলে এবং চাকরি সন্তোষজনক হলে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেডের সুবিধা পাবেন। প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পর একই পদে আরও ছয় বছর চাকরি করলে দ্বিতীয়বার উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে আগের বেতন কাঠামোয় টাইমস্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড পাওয়া কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নতুন স্কেলে হিসাব কীভাবে হবে, তা নিয়ে জটিলতা রয়েছে। ইতোমধ্যে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে নিয়োগ বা পদোন্নতি পাওয়া কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী অর্থ বিভাগে আবেদন করে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।


অর্থ বিভাগের আদেশে বলা হয়েছে, আগের বেতনস্কেলে একই পদে দুই বা ততোধিক সিলেকশন গ্রেড, টাইমস্কেল বা উচ্চতর গ্রেড পেয়ে থাকলে নতুন পে-স্কেলে ওই পদে আর উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ নেই। আবার ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত একই পদে একটি মাত্র উচ্চতর স্কেল বা গ্রেড পাওয়া থাকলে পরবর্তী ছয় বছর পূর্তির পর দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার বিধান রয়েছে। ফলে ৫ থেকে ২০ অক্টোবরের পে-ফিক্সেশনে শুধু বর্তমান বেতন নয়, আগের উচ্চতর গ্রেড, পদোন্নতি ও বেতন নির্ধারণের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।


শেয়ার করুন