২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৯:০৮:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আবারও বড় জয় পুতিনের, ভাঙ্গল ১৬ সালের রেকর্ডও
  • আপডেট করা হয়েছে : ২২-০৯-২০২৬
আবারও বড় জয় পুতিনের, ভাঙ্গল ১৬ সালের রেকর্ডও

রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে আবারও বড় জয় পেয়েছে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ক্ষমতাসীন দল ‘ইউনাইটেড রাশিয়া’। টানা তিন দিন ভোটগ্রহণ শেষে প্রাথমিক ফলাফলে ৪৫০ আসনের স্টেট ডুমায় দলটি পেয়েছে ৩৫৫টি আসন। এর মধ্য দিয়ে ২০১৬ সালের নির্বাচনে পাওয়া ৩৪৩ আসনের আগের রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছে দলটি।




নতুন ফলাফলে ইউনাইটেড রাশিয়ার সাংবিধানিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা আরও বেড়েছে। এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা দলটিকে সংবিধান সংশোধনের মতো বিষয়ে পার্লামেন্টে বড় ধরনের ক্ষমতা দেয়।


রাশিয়ার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের প্রধান এলা পামফিলোভা জানিয়েছেন, ভোটার উপস্থিতি ৫৯ শতাংশের বেশি ছিল। নির্বাচন কমিশন এটিকে উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ হিসেবে তুলে ধরেছে। এটি ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর দেশটির প্রথম পার্লামেন্ট নির্বাচন। ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে ফলাফলকে পুতিনের প্রতি রুশ জনগণের ঐক্যবদ্ধ সমর্থনের প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।


ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ নির্বাচন শেষে জানান, ইউক্রেন যুদ্ধের পর অনুষ্ঠিত প্রথম এই পার্লামেন্ট নির্বাচনের ফলাফল প্রমাণ করে যে দেশের সাধারণ জনগণ প্রেসিডেন্ট পুতিনের নীতি ও নেতৃত্বের ওপর শতভাগ আস্থা রাখছেন।


গত আড়াই দশক ধরে রাশিয়ার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণকারী দলটির এই সুপারমাজোরিটি বা বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাদেরকে প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধনের একক ক্ষমতা দিচ্ছে। নির্বাচনে মোট ভোটারের হার ছিল ৫৯ শতাংশেরও বেশি।


ভোটগ্রহণের শেষ দিনে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালানো হলেও কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়েই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এই নির্বাচনে যুদ্ধবিরোধী একমাত্র দলটিকে আগেই প্রার্থিতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।


নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী কম্যুনিস্ট পার্টি ৪০টি, জাতীয়তাবাদী এলডিপিআর ২৫টি এবং নিউ পিপল পার্টি ২০টি আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া চেচনিয়ায় আঞ্চলিক প্রধান রমজান কাদিরভ ৯৯.৮৫ শতাংশ ভোট পেয়ে পুনরায় বিজয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এই নির্বাচনকে গণতন্ত্রের লোকদেখানো প্রহসন হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।



বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এপি জানিয়েছে, নির্বাচনটি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ক্রেমলিন ও ইউক্রেন যুদ্ধের সমালোচনাকারী বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক শক্তি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়নি।


রাশিয়ার একমাত্র নিবন্ধিত যুদ্ধবিরোধী দল হিসেবে পরিচিত ইয়াবলোকো জাতীয় পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেনি। দলটির কিছু প্রার্থী অবশ্য আঞ্চলিক নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তথ্যসূত্র: গার্ডিয়ান


শেয়ার করুন