রাজশাহীতে অভিযাত্রী ক্লাবকে বাঁচানোর দাবিতে মানববন্ধন


, আপডেট করা হয়েছে : 15-03-2023

রাজশাহীতে অভিযাত্রী ক্লাবকে বাঁচানোর দাবিতে মানববন্ধন

‘ষড়যন্ত্রের’ হাত থেকে রাজশাহী নগরীর ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া ও সমাজ কল্যাণমূলক যুব সংগঠন অভিযাত্রী ক্লাবকে বাঁচানোর দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় শহরের ঘোড়ামারা এলাকায় অভিযাত্রী ক্লাবের সামনের রাস্তায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে ক্লাবের সদস্যবৃন্দ, বর্তমান-সাবেক খেলোয়াড়সহ স্থানীয় এলাকাবাসী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে ক্লাব চত্বরে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্যে ক্লাবের সভাপতি লিয়াকত আলী লিকু বলেন, রাজশাহী শহরের ঐতিহ্যবাহী সরকারি অনুমোদিত ক্রীড়া সংগঠন এই অভিযাত্রী ক্লাব। ১৯৮১ সালে সরকারের কাছ থেকে বাৎসরিক লিজ নিয়ে গত ৪৩ বছর ধরে ক্লাব হিসেবে ব্যবহার ও ভোগদখল চলে আসছে। সর্বশেষ ২০২০ সাল পর্যন্ত ক্লাবের নামেই জমির বাৎসরিক কর বা খাজনা পরিশোধ করা হয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি একটি কুচক্রি মহল ক্লাবের জমি দখলে নেয়ার ষড়যন্ত্র করছে। তারা নিজেদের জমির প্রকৃত মালিকের আত্মীয় দাবি করছে। কিন্তু এটি কখনোই সম্ভব নয়! আমরা এলাকাবাসী যতদূর জানি, জমির মালিকের আত্মীয় তিনি নন। জমির মালিক একজন মারোয়ারি সম্প্রদায়ের মানুষ। তিনি এখন ভারতে থাকেন। আর তার আত্মীয় দাবিকারী একজন সনাতন ধর্মাবলম্বী। দু’টি আলাদা সম্প্রদায়ের, নিজস্ব সত্বা অনুযায়ী কখনোই তারা আত্মীয় হতে পারেন না।

সুতরাং, বিষয়টি অত্যন্ত পরিষ্কার- ক্লাবের জমিটিকে হাতিয়ে নিতেই তারা এসব মিথ্যা নাটকের পায়তারা করছেন। মহামান্য আদালতে ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করে ক্লাবের জমি দখলের একটি রায়ও নিয়েছেন। আমরা ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত সদস্যরা ও এলাকাবাসী কখনোই এটি মেনে নিবো না। আমরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মহামান্য আদালনের রায়কে সম্মান জানিয়েই তা পুনঃনিরীক্ষণের দাবি জানাবো।

ঘন্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ওয়াহেদুন নবী অনু, অভিযাত্রী ক্লাবের (ভারপ্রাপ্ত) সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ ইসলাম সুমন, সদস্য দেবাশিষ প্রামানিক দেবু, শাহজাহান আলী, শহিদুল্লাহ খান জন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, সিরাজুর রহমান খানসহ সাবেক-বতর্মান খেলোয়াড়েরা বক্তব্য রাখেন।

মানববন্ধনে শেষে অভিযাত্রী ক্লাবকে বাঁচাতে সদস্যরা আদালতের দেয়া রায় পুনঃনিরীক্ষণের দাবি করে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন জানান। পরে জেলা প্রশাসক এটি পর্যালোচনা করার সম্মতি ব্যক্ত করেন।


  • সম্পাদক ও প্রকাশক: ইঞ্জিনিয়ার মো: রায়হানুল ইসলাম

  • উপদেষ্টাঃ মোঃ ইব্রাহীম হায়দার