পদ্মার খেয়াঘাট ৭ মাসেও বুঝে পায়নি ইজারাদার


, আপডেট করা হয়েছে : 02-03-2024

পদ্মার খেয়াঘাট ৭ মাসেও বুঝে পায়নি ইজারাদার

পদ্মার খেয়াঘাট ৭ মাসেও বুঝে পায়নি ইজারাদার সাইফুল ইসলাম। এ বিষয়ে বিভিন্নস্থানে অভিযোগ করেও কোন ব্যবস্থা হয়নি। ফলে তিনি আর্থিক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। ইজারাদার সাইফুল ইসলাম বাঘা উপজেলার দক্ষিণ মিলিকবাঘা গ্রামের আবদুস সামাদের ছেলে।


জানা যায়, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ থেকে দৌলতপুর উপজেলার উদয়নগর ১ নম্বর ঘাট ২০২৩ সালের ১ জুলাই হতে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এক বছরের জন্য সর্বচ্চো ১৪ লক্ষ ৪ হাজর ৯৬০ টাকা মূল্যে ইজারা গ্রহণ করেন সাইফুল ইসলাম। দৌলতপুরের উদয়নগর মৌজার উত্তরে বাঘা উপজেলার দিয়ারকাদিরপুর আংশিক, দৌলতপুরের খাজিরাথাকের আংশিক, বাঘা উপজেলার আতারপাড়ার আংশিক, দৌলতপুরের খাজিরাথাকের নতুন রাস্তার দক্ষিন পাড়, দৌলতপুরের উদয়নগর মৌজার বর্তমান খাজিরাথাক ও উদয়নগরের আলী বক্সের বাড়ীর দক্ষিন পাড়ের পূর্ব সীমানা নির্ধারন করে ইজারা প্রদান করা হয়।

এ বিষয়ে ঘাট ইজারাদার সাইফুল ইসলাম বলেন, মৌখিকভাবে ঘাট বুঝিয়ে দিলেও সরেজমিনে তা বুঝে পায়নি। এ ঘাট অন্যরা দাবি করে পরিচালনা করে আসছেন। ফলে আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির সম্মীখিন হতে হচ্ছে।


এ বিষয়ে বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বলেন, সাইফুল ইসলামের আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক সরেজমিন করে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেন। সেই প্রেক্ষিতে সরেজমিন করে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে।


কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের হাট-ঘাট ইজারার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার মো. নাসিম বলেন, বিধি অনুয়ায়ী ইজারা দিয়ে ঘাট বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপরও অভিযোগটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



  • সম্পাদক ও প্রকাশক: ইঞ্জিনিয়ার মো: রায়হানুল ইসলাম

  • উপদেষ্টাঃ মোঃ ইব্রাহীম হায়দার