শিক্ষকদের বদলি নিয়ে সবশেষ যা জানা গেল


, আপডেট করা হয়েছে : 21-09-2026

শিক্ষকদের বদলি নিয়ে সবশেষ যা জানা গেল

বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেছে গত ১৩ সেপ্টেম্বরই। নিয়ম অনুযায়ী আবেদন গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই দ্রুত ফল প্রকাশ করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিন গড়িয়ে গেলেও এখনো আলোর মুখ দেখেনি সেই বহুল প্রতীক্ষিত ফল। এতে দিন দিন ক্ষোভ আর দুশ্চিন্তার মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে আবেদনকারী শিক্ষকদের মনে।


এদিকে কেন এ বিলম্ব— তা নিয়ে কথা বলেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। তাদের দেওয়া তথ্যমতে, বদলি আবেদনের পুরো প্রক্রিয়ার বর্তমান অবস্থা ও অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে টেলিটকের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন বা ‘স্ট্যাটাস’ চাওয়া হয়েছে।


টেলিটকের কাছ থেকে এ প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর তা নিয়ে জরুরি পর্যালোচনায় বসবেন অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সেখানে সার্বিক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার পর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ফাইল পাঠানো হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে। আর মন্ত্রণালয় থেকে সবুজ সংকেত মিললেই কেবল আনুষ্ঠানিকভাবে বদলির এ কাঙ্ক্ষিত ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।


জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা টেলিটকের কাছে তথ্য চেয়েছি। টেলিটকের স্ট্যাটাস না জানা পর্যন্ত বদলি নিয়ে সভা করা সম্ভব হচ্ছে না। সভার পর শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।


এদিকে ৬ষ্ঠ ও ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে ভুল চাহিদায় সুপারিশ পাওয়া ১৯৫ শিক্ষককে প্রতিস্থাপন করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এই পদগুলোতে বদলির জন্য আবেদন করেছিলেন বদলিপ্রত্যাশী শিক্ষকরা। তবে প্রতিস্থাপনের কারণে ওই পদগুলো পূরণ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন আবেদনকারীরা।


নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে মাউশির এক কর্মকর্তা বলেন, ১৯৫টি পদের বিষয়ে আমরা অবগত। আমাদের পরিকল্পনা হলো- ভুক্তভোগী প্রার্থীদের নিজ উপজেলার অন্য যে প্রতিষ্ঠানে পদ ফাঁকা রয়েছে সেখানে বদলির সুযোগ দেওয়ার। উপজেলা না হলে জেলা, জেলা না হলে পাশের জেলায় বদলির সুযোগ দেওয়া হতে পারে। সভা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।



  • সম্পাদক ও প্রকাশক: ইঞ্জিনিয়ার মো: রায়হানুল ইসলাম

  • উপদেষ্টাঃ মোঃ ইব্রাহীম হায়দার