বিএনপির রাজনীতি কবরস্থানে যাওয়ার সময় হয়েছে : ওবায়দুল কাদের


, আপডেট করা হয়েছে : 01-10-2023

বিএনপির রাজনীতি কবরস্থানে যাওয়ার সময় হয়েছে : ওবায়দুল কাদের

বিএনপির দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটামের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি বলেছিল আওয়ামী লীগকে কবরস্থানে পাঠাবে। এখন বিএনপির রাজনীতি কবরস্থানে যাওয়ার সময় এসেছে।


শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে কৃষকলীগ আয়োজিত কৃষক মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।


কৃষক লীগের সভাপতি সমীর চন্দের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তৃতা করেন, সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, বাহাউদ্দিন নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মির্জা আজম, এস এম কামাল, আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমবায় সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু, যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল প্রমুখ। সমাবেশে সঞ্চালনা করেন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি।


ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির আল্টিমেটাম তো শেষ। ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম কই? বিএনপি ভুয়া, ৩২ দল ভুয়া। বিএনপি বলেছিল আওয়ামী লীগকে কবরস্থানে পাঠাবে। এখন বিএনপির রাজনীতি কবরস্থানে যাওয়ার সময় এসেছে।


বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকারকে যে অবৈধ বলছেন, তাহলে অবৈধ সরকারের কাছে কেন খালেদা জিয়ার মুক্তির আবেদন করেন? সরকারের অনুমতি নিতে হবে, না নিলে খবর আছে। পালাবার পথ পাবেন না।


কাদের বলেন, এই দেশ কারো বাপ দাদার দান করা নয়। যাদের হাতে রক্তের দাগ, ১৫ আগস্টের রক্ত, ২১ আগস্টের রক্ত, বাংলার কৃষকের রক্ত। তারা হত্যাকারী, দুর্নীতিবাজ, দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন।


সেই বিএনপির হাতে বাংলাদেশ নিরাপদ নয়, গণতন্ত্র, ভোট, নিরাপত্তা, মুক্তিযুদ্ধ কিছুই নিরাপদ নয়। এরা একাত্তরের বাংলাদেশ চায় না। খুন আর সন্ত্রাস চায়। এরা চায় দুর্নীতি আর স্বৈরাচারিতা।


বিএনপির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যারা ভাঙচুর করতে আসবে তাদের হাত গুড়িয়ে দেব। শপথ নিন। প্রস্তুতি নিন।


আমাদের আজকে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা ছাড়া গণতন্ত্র নিরাপদ নয়, ভাত কাপড়ের ব্যবস্থা নিরাপদ নয়। শেখ হাসিনা আছে বলেই বাংলাদেশ অনেক শান্তিতে আছে। তার মতো একজন সৎ মানুষ রাজনীতিতে বিরল।


আপনার মতো (প্রধানমন্ত্রী) কৃষকবান্ধব নেতা আর নেই মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি কৃষকের পরম বন্ধু। তার উন্নয়নে আজ বাংলাদেশ আলোকিত। তার উন্নয়ন সারা বাংলায় আনাচে-কানাচে পৌঁছে গেছে।


নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নেত্রী আসছেন, ডাক দেবে, যখনি ডাক দেবেন রাস্তায় নেমে আসবেন। আমরা আর কোনো কালো হাতে বাংলাদেশ ছেড়ে দেব না। আমাদের যাত্রা আলোর দিকে ও সোনার বাংলাদেশ গড়ার দিকে।


রাজপথ দখল নিয়ে মন্তব্য করে তিনি বলেন, সেপ্টেম্বর অক্টোবর তো চলেই গেল। তারা রাজপথ দখল করতে পারবে না। বাংলার মানুষ তাদের সঙ্গে নেই। এমনকি রাজপথ ও ঢাকা নগরী দখল করার তোমাদের (বিএনপি) কোনো অধিকার নেই।


এসময় তিনি বলেন, আপনারা শপথ নিন। আগামী নির্বাচনে নৌকার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকুন।


ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশ এখন কৃষিতে অনেক স্বয়ংসম্পূর্ণ। শেখ হাসিনা বাংলার কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে হাজার হাজার টাকা ভর্তুকি দিচ্ছেন।


তিনি বিএনপির সমালোচনা করে বলেন, তাদের রাজনীতি সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি। ষড়যন্ত্র করে বাংলার মানুষকে বিচলিত করা যাবে না। বিএনপি যে কবরস্থানে আছে সেখানেই পড়ে থাকবে।


  • সম্পাদক ও প্রকাশক: ইঞ্জিনিয়ার মো: রায়হানুল ইসলাম

  • উপদেষ্টাঃ মোঃ ইব্রাহীম হায়দার