essay writer
রাজশাহী | সোমবার | জানুয়ারী 22, 2018 | 9 মাঘ, 1425

শৈত্যপ্রবাহে ক্ষতির আশষ্কায় হরিপুরে কৃষক

শৈত্যপ্রবাহে ক্ষতির আশষ্কায় হরিপুরে কৃষক

জে.ইতি হরিপুর ঠাকুরগাও প্রতিনিধিঃহরিপুরে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। সাথে সাথে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।  কমেছে তাপমাত্রা।বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। ছিন্নমুল মানুষের জীবন আরো দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে।পাশা-পাশি বিভিন্ন ফসলের ক্ষতির আশংকাং দেখে দিয়েছে।কৃষির ক্ষেত্রটা জলবায়ুর ওপর সম্পূর্ণ নির্ভর করে। অভিজ্ঞ চাষিরা বলছেন, এ আবহাওয়ায় ধানের চারা,সরিষা ও সবজির ক্ষতি হবে।স্থানীয় লোকজন জানান, একটানা শৈত্য প্রবাহ এবং পৌষের কন-কনে শীতের কারণে এ অঞ্চলের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ এবং ফসল উৎপাদনকারিরা।বিশেষ করে ধানের চারা,সরিষা ও সবজি চাষিরা দুঃচিন্তায় পরেছেন।
তারা বলছেন,যদি এভাবে একটানা শৈত্য প্রবাহ চলতে থাকে তাহলে হরিপুর উপজেলার কৃষকদের প্রধান অর্থকারি ফসল ধানের চারার ব্যাপক ক্ষতি হবে। পাশাপাশি সরিষা ও সবজি গাছগুলো মরে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।
উপজেলার বোরো চাষি আনোয়র, বারেক, আবুর, খালেক, সাধুসহ কয়েকজন কৃষক জানান, তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় বোরো ধানের চারা পুরে অথবা গলে মরে যায়।
ইসলাম নামে এক বোরো চাষি জানান, তিনি এবার আটবিঘা জমিতে বোরো আবাদ করবেন ।সেই অনুযায়ী বোরো ধানের বীজ রোপন করবেন । তিনি আরো বলেন, গতবার অনেকের বীজতলা নষ্ট হয়েছে। তবে এখনো তার বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।
তথ্য মতে, গত কয়েক দিন ধরে হরিপুর উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শুরুকরেছে ঘন কুয়াশাসহ হিমশীতল হাওয়া। এতে করে হরিপুর উপজেলাসহ কাঁপছে উত্তরের জনপদ। বিশেষ করে যে সমস্ত এলাকায় নদী রয়েছে সেই এলাকার মানুষগুলো শীতে থর-থর করে কাঁপছে। অনেকেই খড়কুটা জ্বালিয়ে তাপ নিচ্ছে। কোনো জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কেহ বাড়ি থেকে বের হচ্ছে না। দুর্ভোগ বেড়েছে ছিন্নমুল ও অসহায় মানুষদের  দেখা দিয়েছে বিভিন্ন রোগ-বালাই।
পৌষের কনকনে শীতে কাঁপছে নাগর ও কুলিক নদীর তীরবর্তী এলাকার মানুষ।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জানান, শীত যতটা না কাবু করছে, তার চেয়ে বেশি কাবু করছে হিমেল হাওয়া। যেন শরীরে তীরের মত এসে বিঁধছে ঠান্ডা। এর ফলে একদিকে কষ্ট পাচ্ছে হতদরিদ্র মানুষ-অপর দিকে নষ্ট হচ্ছে সবুজ ভান্ডার হিসাবে খ্যাত উপজেলার বিভিন্ন ফসল।উপজেলা কৃষি অফিসার নঈমুল হুদা সরকার বলেন, শৈত্যপ্রবাহের কারণে ফসলের ক্ষতি হওয়াটায় সাভাবিক। তবে এখকন পর্যন্ত ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি। আর এ অবস্থা খুব বেশি দিন স্থায়ী হবে না। আমরা প্রতি শীত মৌসুমে এ রকম অবস্থার মুখোমুখি হয়।কুয়াশা জনিত আক্রমণ থেকে ফসলকে রক্ষা করতে কৃষকদের উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাগণ নানা পরামর্শ দিচ্ছন  ।

print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>