essay writer
রাজশাহী | বৃহস্পতিবার | জানুয়ারী 18, 2018 | 5 মাঘ, 1425

রাজশাহীতে ১৬ কাঠা জমি চাঁদা না পেয়ে সংবাদ সম্মেলন কারিদের বিরুদ্ধে ভূক্ত ভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করার প্রতিবাদে নগরীতে সংবাদিকের সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীতে ১৬ কাঠা জমি চাঁদা না পেয়ে সংবাদ সম্মেলন কারিদের বিরুদ্ধে ভূক্ত ভোগীদের সংবাদ সম্মেলন করেছে ভূক্ত ভোগীরা। আজ  বিকাল সাড়ে ৩টায় নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় রাজশাহী নগরীর মতিহার থানাধীন কাপাসিয়া পূর্ব পাড়া, এলাকায় ১০ শরিকের পৈত্রীক জমি  যাহার দাগ নং-২৪৫৭, ২৪৫৮, জমির পরিমান ৬১ শতাংশ। আরএস খতিয়ান নং-৬১১, জেএল নং-১৯৪, মোট জমির পরিমান ৬১ শতাংশ। যাহা গত অনুমানিক ৪০ বছর যাবত আমাদের ১০ শরিকের জমি জবর দখল করে ভোগ করিতেছিল। মাদক ব্যবসায়ী মোঃ হেলাল (৬০), মোঃ বেল্লাল (৫৮),  মোঃ ইউসুফ (৫৬), মোঃ বিচ্ছাদ (৫৪), মাহাবুল (৩৫),  সকলের পিতা: মৃত হাছেন মন্ডল, রাব্বানী (২৮), পিতা: হেলাল, সাং: কাপাসিয়া পূর্ব পাড়া, থানা: মতিহার, রাজশাহীগণ। যাহার দাগ নং-২৪৫৭, ২৪৫৮, জমির পরিমান ৬১ শতাংশ।

আরএস খতিয়ান নং-৬১১, জেএল নং-১৯৪, মোট জমির পরিমান ৬১ শতাংশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাদের কাপাসিয়া এলাকায় একাধিকবার সালিশি বৈঠক বসলেও বিবাদীগণ কোন দিনই জমির পক্ষে কাগজ পত্র দেখাতে পারে নাই। এমনকি তারা কোন ভাবেই কোন সালিশ মানে নাই বা জমির দখল  ছাড়ে নাই। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১ বছর পূর্বে আমরা মতিহার থানায় একটি আভিযোগ দায়ের করি। সে সময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির এসআই তাজউদ্দিনকে বিষয়টি নিয়ে বসার জন্য দায়িত্ব ভার দেন। কিন্ত বিবাদীগণ একাধিকবার থানায় সময় নিলেও দলিলসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়। এর পর কাজলা অক্ট্রয় মোড়ে সাংবাদিক মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানীর অফিসে গত ইং ০৫-১২-১৬ তারিখ রা ১০টার সময় আমরা উভয় পক্ষের শরিকগণ নিজ নিজ পক্ষের এ্যাডভোকেট নিয়ে একটি আপোষ মিমাংসায় বসি সেখানে সাদা কাগজে উপস্তিত সাক্ষিগনের উপস্থিতিতে ১৬ কাঠা ১পোষা জমি আমাদের দেবে মর্মে লিখিত আপোষ মিমাংসা হয়। এ ঘটনার পর আমরা যেহেতু দিনমুজুরের কাজ করে জিবিকা নির্বাহ করি।

দীর্ঘ দিন মামলা মোকাদ্দমা চালিয়ে আমরা শরিকগণ ধার দেনার মধ্যে পড়ে যাই। আর আপোষ মিমাংসায় ১৬ কাঠা  পোয়া জমিও পেয়ে যাই। তাই লোন মুক্ত হতে গত ইং ০৫-১২-১৬ তারিখে ২লক্ষ টাকা কাঠা মূল্যে সাংবাদিক রাব্বানীর নিকট পবা কোর্টে শরিকগণ নিজ নিজ অংশের জমি থেকে ৩ কাঠা জমি বিক্রয় করি। এ ঘটনার ১মাস না যেতেই বিবাদীগণ আসাদ কাউন্সিলর, নেতা মাসুদ রানা ও কানা আসাদের অসৎ পরামর্শে বিবাদীগণ মিমাংসা বয়কট করে পুনরায় তারা কাটাখালি পৌরসভায় বিচার দেয়। কিন্তু আমরা আমাদের দখলে থাকা জমিতে চাষাবাদ করতে গেলে বিবাদীগণ আমাদের এক শরিক আকসেদ এর বাড়িতে হামলাচালিয়ে তাকে ও তার স্ত্রী মর্জিনা বেগম, এবং তার ছেলের স্ত্রী রতœা বেগমকে মারপিট করে। এবং তারা রামেক হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়। এ বিষয়ে মতিহার থানায় একটি মামলা রুজু হয়। বর্তমানে ওই মামলায় বিবাদীগণ জামিনে মুক্ত আছে। এ ঘটনার আনুমানিক ১৫দিন পরে তারা আমাদের দখলে থাকা জমি ২৪৫৭ ও ২৪৫৮ নং দাগের ৬১ শতক জায়গা দখলের চেষ্টা করলে উভয়ের মধ্যে দ্বন্দ সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয় পক্ষের ৩ জনকে ধরে মতিহার থানায় নিয়ে আসে। এ বিষয়ে কাপাসিয়া বাজার এলাকার কুচক্রি নেতা মোঃ মাসুদ রানা এবং কাঁটাখালী পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আসাদ ও নেতা কানা আসাদ, মতিহার থানায় উপস্থিত হয়ে উভয় পক্ষোর মধ্যে ২ দিনের মধ্যে আপোষ মিমাংসা করে দেবে মর্মে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেয়।

পরে ২ নেতা ও কাউন্সিল আমাদের প্রতিপক্ষের সাথে দেন দরবারের মাধ্যমে দির্ঘ প্রায় ১ বছর ঘুরিয়ে কাটাখালি পৌরসভায় প্যাডে একটি লিখিত মিমাংসার কপি আমাদের ধরিয়ে দেয়। যেখানে পরিস্কার লিখা আছে যে যে অবস্থানে রয়েছে প্রত্যেই নিজ নিজ অবস্থান বজায় রেখে চলবে। পাশাপাশি বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে যে পক্ষো রায় পাবে সেই পক্ষ জমি ভোগ দখল কবিবে। এ ঘটনার ১ সপ্তাহ্ না যেতেই স্থানীয় নেতা মাসুদ রানা, কাউন্সিলর আসাদ ও কানা আসাদের নির্দেশে বিবাদীগণ জোর পূর্বক আমাদের ভোগ দখলে থাকা জমিতে নেমে মেহগুনি গাছ কেটে কোদাল দিয়ে জমি চাষ দেয় এবং বেগুন ও কদুর গাছ লাগায়। এ বিষয়ে আমরা কাঁটাখালী পৌরসভার মেয়র বরাবর দরখাস্ত দিয়ে অবগত করি। এছাড়া আমাদের এক শরিক মোঃ মোসলেম সরদার বাদি হয়ে মতিহার থানায় একটি গাঁছ কর্তন বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বর্তমানে মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে বিবাদীগণ জামিনে মুক্ত রয়েছেন। এরই মধ্যে বিবাদীগনের দেয়া ১৪৪ ও ১৪৫ ধারা মামলার রায় প্রদান করেন বিজ্ঞ আদালত গত ২৯ নভেম্বর ।  মামলাটি খারিজ করে দেন বিচারক এবং বিজ্ঞ আদালতের খারিজ কপিতে নিজ নিজ অবস্থান বজায় রাখতে বলা হয়। এর পরে আমরা আমাদের আরএস রেকর্ড এর ২৪৫৮ এবং ২৪৫৭ নং দাগের জমিতে সিমানা প্রাচীর নির্মান কাজ শুরু করি। এ ঘটনায় বিবাদীগণ মতিহার থানায় কাজ বন্ধের জন্য একটি অভিযোগ দায়ের করে। এ বিষয়ে গত ইং ২২-১২-২০১৭ তারিখে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উভয় পক্ষোকে নিয়ে বসার জন্য এসআই তাজ উদ্দিনকে দায়িত্ব দেন। পরে আমাদের এবং বিবাদীগণদের নিজ নিজ কাগজ পত্র নিয়ে থানায় হাজির হওয়ার জন্য বলা হয়।

আমরা উভয় পক্ষো নিজ নিজ এ্যাডভোকেট নিয়ে যথা সময়ে থানায় উপস্থিত হই। এবং উভয় পক্ষের এ্যাডভোকেট একমত হয় এই বলে যে, বিবাদীগনের বিজ্ঞ আদালতের কোন নিষেধাজ্ঞা থাকতে হবে তবেই কাজ বন্ধ করা সম্ভব।  এ সময় বিবাদীগণ বলে আমাদেরকে ০৩-০১-২০১৮ পর্যন্ত সময় দেয়া হোক আমরা উক্ত তারিখে আদালত থেকে ইনজেংশান অথবা কাজ স্থগিত আদেশ এনে থানায় জমা দেবো। কিন্ত নিদৃষ্ট সময় পার হলেরও বিবাদীগন কোন আদেশের কাগজ থানাতে জমা দেয় নাই। আমরা পূনরায় ৪ তারিখ থেকে আমাদের প্রাচির নির্মান কাজ শুরু করি।

শুরু হয় বিবাদীগনের ও নেতা কাউন্সিলরের দৌড় ঝাঁপ আর অপপ্রচার। আর  মারধরসহ প্রাণ নাশের হুমকি তো অব্যাহত রয়েছেই। যাহা কাঁপাসিয়া পূর্ব পাড়া এলাকার সকলেরই জানা। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় বিবাদী হেলালের মতো অবৈধ মাদক ব্যবসা করে টাকা উপার্জন করি না। তাই সংবাদিদের লিখুনির মাধ্যমে ও ব্যাক্তিগত সহযোগীতার মাধ্যমে জাতির বিবেকের নিকট ভূমি দস্যুদের হাত থেকে মুক্তি পেতে চায় ভূক্ত ভোগীরা। পাশাপাশি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী অসৎ ২ নেতা ও কাউন্সিলর আসাদের  দৃষ্টান্দমূলক দাবি করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্ত্য পড়ে শোনান মোঃ আবুল হোসেন পলাশ। এ বিষয়ে মুঠো ফোনে বিবাদী হেলালের সাথে ০১৮২৮-৫৩২৪৭০ নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন প্রকার কথা না বলে কাউন্সিলর আসাদকে মুঠো ফোন ধরিয়ে দেন।

print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>